মাদকাসক্তির প্রতিরোধ ও প্রতিকার

মাদকাসক্তির প্রতিরোধ ও প্রতিকার

মাদক প্রতিরোধে পরিবার ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা, শিক্ষা, পরিমিত জীবন যাপন, বন্ধু নির্বাচন, দায়িত্বশীলতা ইত্যাদি মাদকাসক্তি প্রতিরোধ ও প্রতিকারের পথ।

পারিবারিকভাবে

  • সন্তানের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে যে, সে কোন অস্বাভাবিক জীবন যাপন করছে কিনা এবং কেমন বন্ধু বান্ধবের সাথে মিশছে। খেলাধূলাসহ বিভিন্ন সামাজিক কাজে নিয়োজিত থাকতে উৎসাহিত করতে হবে।
  • পরিবারের কেও মাদকে আসক্ত হলে তাকে এর খারাপ দিকগুলো বোঝাতে হবে এবং চিকিৎসার মাধ্যমে তাকে সুস্থ করে তুলতে হবে। তাদেরকে বোঝাতে হবে যে মাদকদ্রব্য সেবন বন্ধ করার জন্য শুধুমাত্র নিজের ইচ্ছাশক্তিই যথেষ্ট নয়।

সামাজিকভাবে

  • মাদকাসক্তদের সুস্থ করে সমাজে প্রতিষ্ঠা করা।
  • মাদকদ্রব্যের প্রসার রোধে এর ক্ষতিকারক দিক সম্পর্কে গনসচেতনতা সৃষ্টি করা এবং নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রম গ্রহণ করা

Related Post

মানুষ কখন নেশার ফাঁদে পড়ে?
রমজান মাসে রোজা রাখার উপকারিতাগুলি কী কী?
মাদকাসক্তি অন্য দশটা রোগের মতো একটা রোগ।
ইসলাম, হিন্দু ও খ্রিস্টান ধর্মসহ সকল ধর্মে মাদক সেবন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ!
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মাদক !
চাই ধূমপানমুক্ত একটি  সুন্দর  বাংলাদেশ।