সেক্ষেত্রে মৃত্যু হওয়া কিংবা পঙ্গুত্ববরণ করাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়।
মাদক যুব সমাজকে ভয়াবহ পরিণতির দিকে ঠেলে দিয়েছে। মাদকাসক্তি আমাদের সমাজে সর্বনাশ ডেকে এনেছে। তরুণ প্রজন্মের কাছে অতি সহজেই এসব মাদকদ্রব্য পৌঁছে যাচ্ছে। বর্তমান সময়ে গোটা দেশে যত সংঘবদ্ধ অপরাধ, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ধর্ষণ, অপহরণ হয়ে থাকে তার অন্যতম প্রধান কারণ মাদকাসক্তি। মাদকদ্রব্য কেনাবেচা ও সেবনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হচ্ছে ভয়ংকর সব অপরাধ। কাজেই মাদকদ্রব্য ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব না হলে সমাজে অপরাধ প্রবণতা আরও বাড়বে। মাদকের প্রবেশ ও ব্যবসা রোধে কঠোর পদক্ষেপের বিকল্প নেই। পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে মাদকাসক্তি প্রতিরোধ করা সম্ভব। সামাজিকভাবে মাদকদ্রব্যের প্রসার রোধে গণসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।
মাদকাসক্তির কারণে দাম্পত্য কলহ, বিবাহ-বিচ্ছেদ, পারিবারিক অশান্তি ও সামাজিক বিশৃঙ্খলা দিন দিন বেড়েই চলেছে। পারিবারিকভাবে সন্তানের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে যে সে কোনো অস্বাভাবিক জীবন যাপন করছে কিনা, কেমন বন্ধু বান্ধবের সঙ্গে মিশছে। পরিবারের সকল সদস্যের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকা অতি জরুরি। আজকাল পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বন্ধুত্বসুলভ সম্পর্ক না থাকার কারণে পরিবারের অনেক সদস্য মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। পরিবারের কেউ মাদকে আসক্ত হলে তাকে মাদকাসক্তির খারাপ দিকগুলো বোঝাতে হবে এবং মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসার মাধ্যমে তাকে সুস্থ করে তুলতে হবে।